বিভিন্ন গান, বিখ্যাত চলচ্চিত্রের সংলাপ এবং বিভিন্ন মজার অডিওকে সংক্ষিপ্ত ভিডিও তৈরি করে টিকটোক অ্যাপে আপলোড করা হত।

টিকটকের ব্যবহারকারীর সংখ্যা গত কয়েক বছর ধরে দ্রুত বাড়ছে। তবে ভারতে প্ল্যাটফর্মের নিষেধাজ্ঞার ফলে তার মালিক, বাইটড্যান্স লিমিটেডকে বেশ আঘাত করেছে।
ভারতে নিষিদ্ধ হওয়ায় ৬ বিলিয়ন ডলার ক্ষতির মুখোমুখি টিকটক

চাইনিজ টেক জায়ান্টের ভিভা ভিডিও এবং হ্যালো অ্যাপসটিকেও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তিনটি অ্যাপ নিষিদ্ধ হওয়ায় সংস্থাটি কমপক্ষে ৬ বিলিয়ন লোকসানের আশঙ্কা করছে।

এই বছরের প্রথম ৩ মাসে, টিকটোক অ্যাপটি ভারতে ৬১১ মিলিয়ন বার ডাউনলোড করা হয়েছে। যা বিশ্বজুড়ে মোট ডাউনলোডের ৩০.৩ শতাংশের কাছাকাছি। এছাড়া টিকটকের ব্যবহারকারীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ভারতে।

বাইটড্যান্সের সাম্প্রতিক একটি প্রতিবেদনে ভারতে ৫৯ টি চীনা অ্যাপস নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তটিকে “অভূতপূর্ব” হিসাবে বর্ণনা করে এবং বলেছে বিদেশে সর্বাধিক জনপ্রিয় চীনা অ্যাপ টিকটকের কাছে এটি একটি বিশাল আঘাত ছিল।

টিকটোক যেসব দেশে ভালো করছে সেখানে চীনের বাইরের কয়েকটি দেশগুলির মধ্যে ভারত অন্যতম।

ইতোমধ্যে ভারতে টিকটক সহ বাইটড্যান্সের তিনটি জনপ্রিয় অ্যাপ বন্ধ হয়ে গেছে, ফলে অনেক ভারতীয় চাকরির ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছে।

কারণ এই সংস্থার অধীনে এ দেশটিতে ২ হাজারেরও বেশি শ্রমিক কাজ করেন। তদুপরি, টিকটোক ভারতের অনেক তরুণ-তরুণীদের আয়ের অন্যতম উত্স ছিল।

শুধুমাত্র টিকটিক, ভিভা ভিডিও বা হ্যালো নয়; এছাড়াও আরো ৫৬ টি চাইনিজ অ্যাপ নিষিদ্ধ করা হয়েছে ভারতে। তার মধ্যে অন্যতম, ইউসি ব্রাউজার, Shareit, Likee ইত্যাদি।