বর্তমান বিশ্বব্যাপী মহামারী করোনভাইরাস নিয়ে নিরলসভাবে গবেষণা করা হচ্ছে। প্রতিদিন আমরা ভাইরাস সম্পর্কে অসংখ্য তথ্য এবং চিন্তাভাবনা পাচ্ছি।

২১ জুন বিদায় নিবে করোনাভাইরাস: ভারতিও বিজ্ঞানি
ছবি: সংগ্রহীত

হিন্দুস্তান টাইমস অনুযায়ী, “একজন ভারতীয় বিজ্ঞানী দাবি করেছেন যে করোনাভাইরাস একটি সূর্যগ্রহণ থেকে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং অন্য একটি সূর্যগ্রহণ নিয়ে চলে যাবে।”

“তার অর্থ পৃথিবী আগামী ২১ জুন পরবর্তী সূর্যগ্রহণের মাধ্যমে প্রাণঘাতী ভাইরাসের অভিশাপ থেকে মুক্তি পেতে চলেছে।”

ভারতের পারমাণবিক ও ভূতত্ত্ববিদ ডঃ কেএল সুন্দর কৃষ্ণ এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন যে করোনভাইরাস এবং সূর্যগ্রহণের মধ্যে একটি যোগসূত্র রয়েছে। এই মহামারী মহাজাগতিক ঘটনাগুলির ফলাফল। এই মারাত্মক ভাইরাসটি মহাকাশ থেকে এসেছিল।

ভারতীয় বিজ্ঞানী বলেছেন, গত বছর ২৬ ডিসেম্বর এই সূর্যগ্রহণ ছিল। সেই থেকে এই জাতীয় ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে, বহুল প্রচারিত তথ্য হ’ল গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর চীনের উহান শহরে প্রথম করোনাভাইরাস সংক্রমণের খবর পাওয়া গেছে।

ডাঃ কেএল সুন্দর কৃষ্ণ বলেছিলেন যে সূর্যগ্রহণের সময় পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে বৈদ্যুতিক চার্জযুক্ত কণায় বিশাল রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটেছিল। একটি জৈব পারমাণবিক বিক্রিয়া যা নিউট্রনগুলিকে পরিবর্তনের কারণ করে।

এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি হয় যেখানে করোনভাইরাসটির নিউক্লিয়াস গঠিত হয়। এই জৈব পারমাণবিক মিথস্ক্রিয়া ভাইরাস ছড়িয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ। এই স্তরটিকে ‘ডি-স্তর’ বলা হয়। তবে এই স্তরে কীভাবে ভাইরাস তৈরি হতে পারে সে সম্পর্কে বিজ্ঞানীদের ধারণা নেই।